English

এসেনসিয়াল ড্রাগস্ কোম্পানী লিমিটেড (ইডিসিএল)

এসেনসিয়াল ড্রাগস্ কোম্পানী লিমিটেড (ইডিসিএল) বাংলাদেশের একটি ১০০% রাষ্ট্র মালিকানাধীন ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি। জনস্বাস্থ্য ও মসৃণ চলমান র্স্বাথে ১৯৬২ সালে এটি সরকারি ফার্মাসিউটিক্যালস ল্যাবরটেরি (জিপিএল) নামে কেন্দ্রীয় সরকাররে অধীনে কাজ শুরু করে এবং পরর্বতীকালে ১৯৭৯ সালে ফার্মাসিউটিক্যালস উৎপাদন ইউনিট (পিপিইউ) হিসেবে পুনঃনামকরণ করা হয়। কোম্পানি আইনের অধীনে ১৯৮৩ সালে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয়। বাংলাদশে সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর নিয়ন্ত্রণকারী র্কতৃপক্ষ। স্থানীয় ভাবে ঔষধ উৎপাদনের জন্য দেশে একটি উন্নত ওষুধ শিল্প স্থাপনের প্রধান উদ্দেশ্যে এবং রপ্তানরি জন্য ১৯৮৩ সালে এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানী লিমিটেড নামে পুনঃনামকরন করা হয়। সরকারী এই ঔষধ কোম্পানী বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে কোম্পানীর অনুমোদিত মুলধন ২০০.০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১০০.৯২ কোটি টাকা, প্রতি শেয়ারের মূল্য ১০/= টাকা।

এর প্রধান উদ্দেশ্য উন্নতমানের ঔষধ উৎপাদন করে সাশ্রয়ী মূল্যে সরকারি হাসপাতাল ও অন্যান্য স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা। কোম্পানীর শুরু থেকে আজ পর্যন্ত উৎপাদিত ঔষধ সরকারি হাসপাতাল, সিভিল র্সাজন অফিস, সরকারী স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি এবং আর্ন্তজাতকি (অমুনাফা কারি) প্রতিষ্ঠান যেমন, ইউনসিফে, হু, আইসিডিডিআরবি ইত্যাদিতে ঔষধ সরবরাহ করা হয়েছে। কোম্পানির আর্থিক বছর ২০১৩-১৪ সালে প্রায় ৪২৬.০০ কোটি টাকার বিভিন্ন ড্রাগস ও গর্ভনিরোধক পণ্য উৎপাদন করা হয়েছে। এর বর্তমান জনবল আনুমানিক ২৬০০। জাপনি গ্রান্ট এর মাধ্যমে ১৯৮৫ সালে বগুড়াতে এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানী লিমিটেড নামে আরো একটি প্লান্ট চালু হয়। এটি বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল, সিভিল র্সাজন অফিস, সরকারী স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা সমুহে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ করে আসছে। সেফালস্পিন প্রকল্প- এটি বগুড়ার অন্য ইউনটি যাহা শীঘ্রই বাণজ্যিকি উৎপাদনে যাবে যেখান থেকে প্রতি ঘন্টায় ১৮০০ ভায়েল উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বাংলাদেশ সরকার খুলনায় কলেপ (খুলনা এসেনসিয়াল লেটেক্স প্রকল্প) নামে একটি কনডম কারখানা স্থাপিত করে যেটি এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানী লিমিটেডেরই একটি অন্যতম ইউনিট। এই প্রকল্পের উৎপাদন ক্ষমতা প্রাথমকিভাবে বছরে ১৫০ মিলিয়ন পিস ইনস্টল করা হয়েছে এখন এর উৎপাদন প্রতি বছরে আনুমানিক ২৪৯.৬০ মিলিয়ন পর্যন্ত হয়ে থাকে। উৎপাদিত কনডম মহাপরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বিতরন করা হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানী করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধিন রয়েছে।

এছাড়াও খুলনা এসেনসিয়াল লেটেক্স প্রকল্পের অধিনে টাঙ্গাইল জেলা মধুপুরে একটি ল্যাটেক্স প্রসেসিং প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়। স্থানীয়ভাবে উন্নতমানের রাবারকষ সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাত করার পর খুলনা কেইএলপিতে সরবরাহ করা হয়।

ডিসিএল গোইপালঞ্জে ”ইডিসিএল (৩য় প্রকল্প)” নামে একটি প্রকল্প স্থাপন প্রকৃয়াধীন যেখান থেকে জন্ম নযি়ন্ত্রণ ইনজকেশন, আইভি ফ্লয়েড, পেনিসিলিন পণ্য, জন্মনিয়ন্ত্রন বড়ি উৎপাদিত হবে। এই প্রকল্পের আনুমানিক খরচ টাকা. ৫৯৭,২৮ কোটি যাহা জিওবি ফান্ড থেকে ব্যয় করা হবে। এই প্রকল্পটি ২০১৫ সালে উৎপাদনে যাওয়ার সময় নির্ধারন করা হয়েছে।


এমপ্লয়জি ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন

ইডিসিএল কর্তৃপক্ষ নিয়োগ এবং পরিসেবা বিধি পদোন্নতি নিয়ম অনুযায়ী বাস্তবায়ন করতে প্রতিশ্রুবদ্ধ এবং উচ্চ যোগ্যতা অনুযায়ী অর্গানোগ্রাম সংশোধিত করে থাকে । কর্মচারীদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং ক্ষমতা উন্নয়নে এবং কোম্পানীর লক্ষ্যে পৌছানোর ও তার উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য যথাপযুক্ত প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। যার ফলশ্রতিতে র্কমচারীদের পেশাগত দক্ষতা এবং জাতীয় স্বাস্থ্য উন্নয়নে যথেষ্ঠ ভুমিকা রাখে। ইডিসিএল এর দৃষ্টি ইডিসিএল স্থানীয় বাজার এবং বিশ্বব্যাপি রপ্তানী করার লক্ষ্যে তার নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।



ইডিসিএল এর মিশন

ইডিসিএল উচ্চমানের ঔষধ পণ্য প্রস্তত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোম্পানি মানুষের জীবনের মান উন্নয়ন করতে দৃড় প্রতিজ্ঞ।


গ্রাহক সন্তুষ্টি

ইডিসিএল ভোক্তাদরে চাহিদা এবং প্রয়োজনীয়তা বুঝতে সরাসরি গ্রাহকদরে সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গ্রাহকদরে চাহিদা এবং সস্তুষ্ঠি অর্জনে মান সম্মত ঔষধ প্রস্তুত করতে অগ্রাধীকার প্রদান করে থাকে।


মান উন্নয়ন

ইডিসিএল রোগীর স্বাস্থ্য এবং এর পরিচালনা, সমাজের প্রতি তার দায়িত্ব এবং বিশ্বাস এর উন্নয়ন, উৎপাদন, গুদামজাত, বিপণন সহ সমগ্রমান প্রয়োগ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সবসময় মান আরো বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেয়া হয়।


টিম স্পরিট

ইডিসিএল কোম্পানরি উন্নয়ন বৃদ্বির জন্য দলবদ্ধ হয়ে কাজ করাকে গুরুত্ব দেয়। এটা সাংগঠনকি পারফরমন্সে উন্নয়নের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ইডিসিএল ব্যবসায়িক সর্ম্পক উন্নয়ন করার লক্ষ্যে এর শক্তি এবং বিশেষায়িত ভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে ঔষধ উৎপাদন করে যাচ্ছে।


বিতরণ

ইডিসিএল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারী হাসপাতাল, সিভিল র্সাজন অফিস এবং কমিউনিটি ক্লনিকিগুলোতে ঔষধ সরবরাহ করে থাকে।


উপসংহার

ইডিসিএল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি সফল জয়ন্টে স্টক কোম্পানী। প্রাইভেট এবং পাবলিক সেক্টরে বিগত ২০ বছর ধরে আর্থিক দক্ষতা সাফল্যের সাথে ধরে রেখেছে।